4.30.2012

Hortal ka na bolun Elias Ali ka koj korun?



 





বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের হরতাল চলাকালে কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যেই সচিবালয়ে দুটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটেছে। তবে এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার বেলা ৩ টা ৫১ মিনিটের দিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভবন লক্ষ্য করে দুটি বোমা ছুড়ে মোটরসাইকেল আরোহীরা জিপিও’র দিকে পালিয়ে যায়। দুটি বোমা একই সঙ্গে প্রকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়।
 স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ক্যাম্পাসে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিবদের গাড়ি রাখার স্থানে (বাউন্ডারির ভেতর) একটি বোমা পড়ে। অন্যটি দেয়ালের বাইরে পড়ে।এ ঘটনার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। পুলিশ গোয়েন্দা সদস্যদের তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে।
 বোমা বিস্ফোরণের পর বঙ্গবন্ধু এভিনিউএর কাছে থাকা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বোমা নিক্ষেপকারীদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।
 সচিবালয়ের সামনে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুষ্ঠান ছিল। অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়েও অফিস করেন। এ উপলক্ষ্যে সচিবালয় এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল। এর মধ্যেই ঘটে এই বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা।

ঢাকা, ২৯ এপ্রিল: প্রধান বিরোধীদল বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীর নিখোঁজের প্রতিবাদে সকাল-সন্ধ্যা হরতালে রোববার চরম ভোগান্তিতে পড়ে নগরবাসী। বিকালে কোনো গাড়ি না থাকায় রাস্তায় আটকা পড়তে হয় হাজার হাজার যাত্রীকে।
হরতাল সকাল-সন্ধ্যা হলেও সন্ধ্যার পর আতঙ্কে রাস্তায় গণপরিবহনের উপস্থিতি ছিল কম। ফলে সকালে যারা অনেক কষ্টে অফিসে এসেছিলেন তাদের বাসায় ফিরতে পড়তে হয়েছে চরম ভোগান্তিতে। তবে রাস্তায় বাসের উপস্থিতি কম থাকলেও রিকশা ও সিএনজির চলাচল ছিল চোখে পড়ার মত।
যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন হরতালের সুযোগে রিকশা ও সিএনজিওয়ালারা ভাড়া আদায় করছে দ্বিগুণেরও বেশি। অন্যদিকে রিকশা ও সিএনজি চালকরা বলছে হরতালের কারণে যাত্রী কম থাকাও তাদের আয় হচ্ছে কম।
মহাখালীতে সকালে এই প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় অফিসগামী রায়হান হোসেনের সঙ্গে। তিনি জানান প্রায় দুই ঘণ্টায় দাঁড়িয়ে থেকেও কোনো গাড়ি পাচ্ছেন না। এখন বাধ্য হয়ে অটোরিকশা ভাড়া করতে গিয়ে মেজাজ উঠেছে চরমে। দ্বিগুণ ভাড়া দাবি করায় চালকের সঙ্গে বাঁধে তুমুল তর্কাতর্কি।
এদিকে, সকালে পায়ে হেঁটে, রিকশায় বা বাসে করে যারা অফিসে এসেছিলেন তাদের ফেরার সময় পড়তে হয়েছে বেশি ভোগান্তিতে। অথচ অনেকেই মনে করেছিলেন বিকাল থেকে হয়তো গাড়ি চলা স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
বাসায় ফেরার উদ্দেশ্যে কাকরাইল মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা আশিকুর রহমান বলেন, ‘‘এক ঘণ্টা ধরে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছি কিন্তু কোনো গাড়ির দেখা মেলেনি। গাজীপুর যাওয়ার জন্য বিকাল পাঁচটা থেকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছি। আজ বাড়িতে যেতে পারবো কিনা তাও বুঝতে পারছি না। সকাল সোয়া ছয়টায় উত্তরা থেকে গুলিস্তানের উদ্দেশে বের হই কিন্তু হরতাল থাকায় ৪০ টাকার ভাড়ার জায়গায় নগদ গুণতে হয়েছে ৩০০ টাকা। কোনো বাস না থাকায় উত্তরা থেকে এয়ারপোট পর‌্যন্ত রিক্সায় এসেছি, সেখান থেকে সিএনজিতে এসেছি।’’
এদিকে হরতালে বেশি ভোগান্তিতে পড়ে নারী, শিশু ও রোগীরা।

No comments:

Post a Comment